২৫শে বৈশাখ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ২৫শে বৈশাখ
জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার,
চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক হিসেবে
পরিচিত। তিনি বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক। তিনি ‘গুরুদেব’,
‘কবিগুরু’ ও ‘বিশ্বকবি’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।
তাঁর মোট ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক,
১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তাঁর জীবদ্দশায়
প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে
‘গল্পগুচ্ছ’ ও ‘গীতবিতান’ সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের
যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে ‘রবীন্দ্র
রচনাবলী’ নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ
খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তিনি প্রায়
দুই হাজার ছবি এঁকেছেন। রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত
হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি
সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
রবিন্দ্রনাথ এর রচনা আর.জে. টুটুল এর কণ্ঠে শুনতে এখানে ক্লিক করুন।
১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে
জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন।
কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি
ত্যাগও করেন। ১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি
সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে ১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী
প্রতিষ্ঠা করেন। দীর্ঘজীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন। রবীন্দ্রনাথের
গান তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি। তাঁর রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ ও
‘জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে’ গান দুটি যথাক্রমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও
ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সংগীত।


0 মন্তব্য(গুলি):