মোঃ তানজিত । Safe News
আজ সোমবার (২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দ) ফুলবাড়ীয়ায় বাংলাদেশ স্কুল,
মাদ্রাসার ৪৭তম আন্তঃ উপজেলা শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ২০১৭ অনুষ্ঠিত
হয়। অনুষ্ঠানটির সভাপতি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট আজিজুর রহমান,
প্রধান অতিথি ছিলেন ফুলবাড়ীয়ার মাটি ও মানুষের নেতা, বারবার নির্বাচিত
মাননীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট মোসলেম উদ্দীন, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব লীরা তরফদার, সম্পাদিকা ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক
শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব নাসরিন আক্তার। ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের সদস্য জনাব
রুহুল আমীন, মুক্তিযোদ্ধাদের সাবেক কমান্ডার এম.এ. সিদ্দিক, উপজেলা আওয়ামী
লীগের তথ্য ও গবেষণা উপদেষ্ঠা জনাব এডভোকেট ইমদাদুল হক সেলিম সাহেব, জনাব
ভি.পি. জামান, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জনাব হারুন-অর-রশীদ, কৃষকলীগের
যুগ্ম সম্পাদক কামরুজ্জামান পারভেজ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, সুপার, সহকারী শিক্ষক ও ক্রীড়া শিক্ষকবৃন্দ
উপস্থিত ছিলেন।
প্রথমেই স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব নাসরিন আক্তার। তিনি শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশ নিয়ে শিক্ষাকে পূর্ণাঙ্গ করার জন্য অনুপ্রেরণা প্রদান করেন। খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা ও খেলাধুলায় বাংলাদেশের পটভূমি তুলে ধরেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জনাব হারুন-অর-রশীদ। নিজের খেলাধুলার অভিজ্ঞতা এবং সাফ গেমস এ ফুলবাড়িয়ার খেলোয়ারের কৃতিত্ব তুলে ধরেন জনাব কামরুজ্জামান জামান সাহেব। ফুলবাড়িয়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাননীয় সাংসদ মোসলেম উদ্দীন এর সফল কার্যক্রম ও ফুলবাড়ীয়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কে জাতীয়করণের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের সদস্য জনাব রুহুল আমীনও ফুলবাড়ীয়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কে জাতীয়করণের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। জনাব ইমদাদুল হক সেলিম সাহেব তথ্যবহুল চমৎকার বক্তব্য প্রদান করেন যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। ফুলবাড়ীয়াবাসীর কিছু ব্যর্থতা আর কিছু সফলতা তুলে ধরে উপস্থিত সকলকেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী তুলে ধরেন। বিশেষ অতিথি জনাব লীরা তরফদার তার জীবনের কিছু ঘটনা তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেন। দীর্ঘ অপেক্ষার শেষে জাতীয় সাংসদ তার মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে হ্যামিলিওনের বংশী বাদক হিসেবে তুলনা করে বলেন বংশীবাদকের সুর শুনে যেমন শিশুরা চলে গিয়েছিল উপত্যকায় তেমনি শেখ হাসিনার বাণী শুনে শিশুরা যাচ্ছে বিদ্যালয়ে। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন কৃষকলীগের যুগ্ম সম্পাদক কামরুজ্জামান পারভেজ, ওয়াদুদ আকন্দ দুদু, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধাদের সাবেক কমান্ডার এম.এ. সিদ্দিক ও মনাকুষা দাখিল মাদ্রাসার সুপার সহ আরও কয়েকজন। অতঃপর এডভোকেট আজিজুর রহমান তার সভাপতির বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি একটি কথা দিয়েই অনেক কিছু বুঝিয়ে দেন। তিনি বলেন, “অকৃতকার্যই কৃতকার্যের মূল মন্ত্র”।
অনুষ্ঠানটির বিভিন্ন ইভেন্ট পূর্বেই সম্পন্ন হয়ে গেলেও আজ ৩টি ইভেন্ট আজ অতিথিদের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত ইভেন্টগুলো ছিলঃ ২০০ মিটার দৌড় (বালক ও বালিকা) এবং ১৫০০ মিটার দীর্ঘ দৌড় (ছেল)। সভাপতির বক্তব্য শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
দিবা-রাত্রীর সন্ধিক্ষণেই অনুষ্ঠানটির ইতি ঘটে।
অনুষ্ঠানটি বিজয়ীদের হাসিমুখ আর বাকি অংশগ্রহণকারীদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। খেলাধুলায় অংশ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কথায় আছে- “ঘরের ছেলের চেয়ে মাঠের ছেলে ভালো।”
প্রথমেই স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব নাসরিন আক্তার। তিনি শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশ নিয়ে শিক্ষাকে পূর্ণাঙ্গ করার জন্য অনুপ্রেরণা প্রদান করেন। খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা ও খেলাধুলায় বাংলাদেশের পটভূমি তুলে ধরেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জনাব হারুন-অর-রশীদ। নিজের খেলাধুলার অভিজ্ঞতা এবং সাফ গেমস এ ফুলবাড়িয়ার খেলোয়ারের কৃতিত্ব তুলে ধরেন জনাব কামরুজ্জামান জামান সাহেব। ফুলবাড়িয়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাননীয় সাংসদ মোসলেম উদ্দীন এর সফল কার্যক্রম ও ফুলবাড়ীয়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কে জাতীয়করণের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের সদস্য জনাব রুহুল আমীনও ফুলবাড়ীয়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কে জাতীয়করণের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। জনাব ইমদাদুল হক সেলিম সাহেব তথ্যবহুল চমৎকার বক্তব্য প্রদান করেন যা সকলের দৃষ্টি কাড়ে। ফুলবাড়ীয়াবাসীর কিছু ব্যর্থতা আর কিছু সফলতা তুলে ধরে উপস্থিত সকলকেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী তুলে ধরেন। বিশেষ অতিথি জনাব লীরা তরফদার তার জীবনের কিছু ঘটনা তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেন। দীর্ঘ অপেক্ষার শেষে জাতীয় সাংসদ তার মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে হ্যামিলিওনের বংশী বাদক হিসেবে তুলনা করে বলেন বংশীবাদকের সুর শুনে যেমন শিশুরা চলে গিয়েছিল উপত্যকায় তেমনি শেখ হাসিনার বাণী শুনে শিশুরা যাচ্ছে বিদ্যালয়ে। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন কৃষকলীগের যুগ্ম সম্পাদক কামরুজ্জামান পারভেজ, ওয়াদুদ আকন্দ দুদু, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধাদের সাবেক কমান্ডার এম.এ. সিদ্দিক ও মনাকুষা দাখিল মাদ্রাসার সুপার সহ আরও কয়েকজন। অতঃপর এডভোকেট আজিজুর রহমান তার সভাপতির বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি একটি কথা দিয়েই অনেক কিছু বুঝিয়ে দেন। তিনি বলেন, “অকৃতকার্যই কৃতকার্যের মূল মন্ত্র”।
অনুষ্ঠানটির বিভিন্ন ইভেন্ট পূর্বেই সম্পন্ন হয়ে গেলেও আজ ৩টি ইভেন্ট আজ অতিথিদের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত ইভেন্টগুলো ছিলঃ ২০০ মিটার দৌড় (বালক ও বালিকা) এবং ১৫০০ মিটার দীর্ঘ দৌড় (ছেল)। সভাপতির বক্তব্য শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
দিবা-রাত্রীর সন্ধিক্ষণেই অনুষ্ঠানটির ইতি ঘটে।
অনুষ্ঠানটি বিজয়ীদের হাসিমুখ আর বাকি অংশগ্রহণকারীদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। খেলাধুলায় অংশ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কথায় আছে- “ঘরের ছেলের চেয়ে মাঠের ছেলে ভালো।”
ছবিঃ সংগৃহীত।
সহযোগীতায়ঃ জয় চক্রবর্তী
সহযোগীতায়ঃ জয় চক্রবর্তী








0 মন্তব্য(গুলি):