শুরু হচ্ছে আত্মসংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস মাহে রমজান। গেল রাতেই প্রথম তারাবি পড়লেন মুসল্লিরা আর ভোর রাতে খেলেন সেহরি।
"রমজান মাস, ইহাতে মানুষের দিশারী এবং সৎপথের স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে কুরআন অবতীর্ণ হইয়াছে। সুতরাং, তোমাদের মধ্যে যাহারা এই মাস পাইবে তাহারা যেন এই মাসে সিয়াম পালন করে।" - সূরা আল বাক্বারা/ আয়াতঃ১৮৫

এবার গ্রীষ্মকালে রোজার মাস হওয়ায় প্রায় ১৫ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হবে
রোজাদারদের। তাই তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে রাতে বেশি করে পানি পান আর
স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
রহমত, মাগফেরাত ও
নাজাতের এই মাসেই নাজিল হয়েছে ইসলামের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন।
মহিমান্বিত সেই শবে কদরের রাতে তাই আল্লাহ, তার রহমতের দরজা খুলে দেন
বান্দাদের জন্য।
আর পুরো মাসজুড়ে যে আত্মশুদ্ধি ও সংযমের শিক্ষা দেয় ইসলাম, তা একজন
মানুষের ব্যক্তি জীবনে যতটা প্রয়োগ করতে হয়, পুরো সমাজ এমনকি রাষ্ট্রও
তার ব্যতিক্রম নয়। এটি এমন এক মাস, যেখানে হালাল বিষয়কেও নিষেধ করা হয়েছে
নিদিষ্ট সময়ের জন্য। আবার, এই সংযোগ শুধু খাবার বা আহারের নয়, বরং চরিত্র
গঠনের এক কঠিনতম প্রশিক্ষণ। যাতে আবাদের রুপু থেকে শুরু করে মনের চিন্তা আর
উদ্দ্যেশ্যকেও আত্মশুদ্ধি করা।
এ বছর দেশে সিয়াম সাধনার পুরো মাস কাটাতে হচ্ছে গরমের মৌসুমে। দিন বড়
তাই পানাহার বন্ধ রাখতে হবে টানা ১৫ ঘণ্টা। ফলে সুস্থ থাকতে রোজদারদারদের
ভাজাপোড়া বাদ দিয়ে ফলমূল ও পানীয়ের দিকে জোর দিতে বলছেন চিকিৎসকরা।
তাদের পরামর্শ, উচ্চ ক্যালোরিসম্পন্ন খাবারের বদলে আঁশজাতীয় খাবার
খাওয়ার। মনোজগতের পরিশুদ্ধতার সিয়াম সাধনা সম্পন্ন হোক সুস্থ শরীরে আর
সংগোমের এই শিক্ষা পাথের হোক ইসলামের আলোকিত জীবনের পথে।

0 মন্তব্য(গুলি):