১৭৫৭ সালের জুলাই মাসের ২ তারিখ বাংলার সর্বশেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা’র মৃত্যুর দিন হিসেবে ইতিহাসের পাতায় চিহ্নিত হয়ে আছে।
মির্জা মোহাম্মদ সিরাজ-উদ-দৌলা বা নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ছিলেন বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার সর্বশেষ স্বাধীন নবাব। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হন তিনি। মূলত সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণেই এই পরাজয় বরণ করে নিতে হয়েছিলো নবাবকে। আর এই একটি পরাজয়ের ফলেই ২০০ বছরের জন্য বাংলা, তথা, সমগ্র ভারতবর্ষ চলে যায় ইংরেজ শাসনের অধীনে।
পলাশীর যুদ্ধে পরাজয়ের পর নবাব মুর্শিদাবাদ হয়ে তার সহধর্মিণী লুৎফুন্নেসা, ৪ বছর বয়সী কন্যা উম্মে জহুরা ও ভৃত্য গোলাম হোসেনকে নিয়ে রাজধানী থেকে বের হয়ে যান। পদ্মা ও মহানন্দা নদী পাড়ি দিয়ে উত্তর দিক অভিমুখে যচ্ছিলেন নবাব। ইচ্ছা ছিলো সঠিক জায়গায় পৌঁছুতে পারলে আরও সৈন্য সংগ্রহ করে ফরাসি বাহিনীর সহায়তা নিয়ে বাংলাকে রক্ষা করবেন তিনি।
আরেকদিকে নবাবকে খুঁজে না পেয়ে চারিদিকে লোক পাঠান মীর জাফর। এদিকে নদীর জোয়ার-ভাটার কারণে নবাবের নৌকা চড়ায় আটকে গেলে খাবার সংগ্রহের জন্য সেখানে নামেন নবাব। এ সময়ই তিনি ধরা পড়ে যান। মীর কাশিমের সৈন্যদল নবাবকে স্ত্রী-কন্যাসহ বন্দী করে রাজধানী মুর্শিদাবাদে পাঠিয়ে দেয়। সেখানেই মীর জাফরের আদেশে ও তার পুত্র মীর মিরনের তত্ত্বাবধানে মোহাম্মদী বেগ নামের এক ঘাতক নবাবকে হত্যা করে।
মুর্শিদাবাদের খোশবাগে নানা নবাব আলিবর্দী খানের কবরের কাছে সমাহিত করা হয় সিরাজকে।
মির্জা মোহাম্মদ সিরাজ-উদ-দৌলা বা নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ছিলেন বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার সর্বশেষ স্বাধীন নবাব। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হন তিনি। মূলত সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণেই এই পরাজয় বরণ করে নিতে হয়েছিলো নবাবকে। আর এই একটি পরাজয়ের ফলেই ২০০ বছরের জন্য বাংলা, তথা, সমগ্র ভারতবর্ষ চলে যায় ইংরেজ শাসনের অধীনে।
পলাশীর যুদ্ধে পরাজয়ের পর নবাব মুর্শিদাবাদ হয়ে তার সহধর্মিণী লুৎফুন্নেসা, ৪ বছর বয়সী কন্যা উম্মে জহুরা ও ভৃত্য গোলাম হোসেনকে নিয়ে রাজধানী থেকে বের হয়ে যান। পদ্মা ও মহানন্দা নদী পাড়ি দিয়ে উত্তর দিক অভিমুখে যচ্ছিলেন নবাব। ইচ্ছা ছিলো সঠিক জায়গায় পৌঁছুতে পারলে আরও সৈন্য সংগ্রহ করে ফরাসি বাহিনীর সহায়তা নিয়ে বাংলাকে রক্ষা করবেন তিনি।
আরেকদিকে নবাবকে খুঁজে না পেয়ে চারিদিকে লোক পাঠান মীর জাফর। এদিকে নদীর জোয়ার-ভাটার কারণে নবাবের নৌকা চড়ায় আটকে গেলে খাবার সংগ্রহের জন্য সেখানে নামেন নবাব। এ সময়ই তিনি ধরা পড়ে যান। মীর কাশিমের সৈন্যদল নবাবকে স্ত্রী-কন্যাসহ বন্দী করে রাজধানী মুর্শিদাবাদে পাঠিয়ে দেয়। সেখানেই মীর জাফরের আদেশে ও তার পুত্র মীর মিরনের তত্ত্বাবধানে মোহাম্মদী বেগ নামের এক ঘাতক নবাবকে হত্যা করে।
মুর্শিদাবাদের খোশবাগে নানা নবাব আলিবর্দী খানের কবরের কাছে সমাহিত করা হয় সিরাজকে।


0 মন্তব্য(গুলি):